সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

অধম ও উত্তম

– সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত

কুকুর আসিয়া এমন কামড়
দিল পথিকের পায়
কামড়ের চোটে বিষদাঁত ফুটে
বিষ লেগে গেল তায়।
ঘরে ফিরে এসে রাত্রে বেচারা
বিষম ব্যথায় জাগে,
মেয়েটি তাহার তারি সাথে হায়
জাগে শিয়রের আগে।

বাপেরে সে বলে ভর্ৎসনা-ছলে
কপালে রাখিয়া হাত,
“তুমি কেন বাবা, ছেড়ে দিলে তারে
তোমার কি নেই দাঁত !”
কষ্টে হাসিয়া আর্ত কহিল
“তুই রে হাসালি মোরে,
দাঁত আছে বলে কুকুরের পায়
দংশি কেমন করে !
কুকুরের কাজ কুকুর করেছে
কামড় দিয়েছে পায়,
তা ব’লে কুকুরে কামড়ানো কি রে
মানুষের শোভা পায় ?”

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

আম পাতা জোড়া-জোড়া

আম পাতা জোড়া-জোড়া, মারবো চাবুক চড়বো ঘোড়া। ওরে বুবু সরে দাঁড়া, আসছে আমার পাগলা ঘোড়া। পাগলা ঘোড়া ক্ষেপেছে, চাবুক ছুঁড়ে মেরেছে।

কানা বগীর ছা

-খান মুহাম্মদ মইনুদ্দীন ঐ দেখা যায় তাল গাছ ঐ আমাদের গাঁ। ঐ খানেতে বাস করে কানা বগীর ছা। ও বগী তুই খাস কি? পানতা ভাত চাস কি? পানতা আমি খাই না পুঁটি মাছ পাই না। একটা যদি পাই অমনি ধরে গাপুস গুপুস খাই।
আমাদের গ্রাম - বন্দে আলী মিয়া আমাদের ছোট গায়ে ছোট ছোট ঘর থাকি সেথা সবে মিলে নাহি কেউ পর। পাড়ার সকল ছেলে মোরা ভাই ভাই এক সাথে খেলি আর পাঠশালে যাই হিংসা মারামারি কভু নাহি করি পিতা মাতা গুরুজন সাদা মোরা ভরি। আমাদের ছোট গারাম মায়ের সমান আলো দিয়ে বায়ু দিয়ে বাচায় যে পান। মাঠ ভরা ধান আর জল ভরা দিঘি চাঁদের আলো লেগে করে ঝিকি মিকি। আম গাছ জাম গাছ বাঁশ ঝার যেন মিলেমিশে আছে ওরা আততিয় হেন। সকালে সোনার রবি পুব দিকে উঠে পাখি ডাকে বায়ু আসে নানা ফুল ফুটে।

কিছু কথা

কিছু বাংলা ছড়া ও কবিতা কে এক জায়গায় রাখার একটি ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা। এ ব্লগে পোষ্ট করা সবগুলো ছড়া ও কবিতা সংগৃহীত।